ইউটিউব শর্টস এখন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের একটি বড় উৎস হয়ে উঠেছে। টিকটক বা রিলসের মতো শর্ট ভিডিওর জনপ্রিয়তায় ইউটিউবও পিছিয়ে নেই। ২০২৫ সালে লক্ষ লক্ষ ক্রিয়েটর শর্টস থেকে অ্যাড রেভিনিউ, ফ্যান ফান্ডিং এবং ব্র্যান্ড ডিলের মাধ্যমে হাজার হাজার ডলার আয় করছেন।
কিন্তু আয় বাড়াতে হলে সঠিক কৌশল দরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কনসিস্টেন্ট কনটেন্ট এবং ভিউ বাড়ানোই মূল চাবিকাঠি।
প্রথমে মোনিটাইজেশনের শর্ত পূরণ করতে হবে: ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (YPP)-এ যোগ দিতে ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং গত ৯০ দিনে ১০ মিলিয়ন শর্টস ভিউ অথবা গত ৩৬৫ দিনে ৪,০০০ ওয়াচ আওয়ার দরকার। এরপর Shorts Monetization Module অ্যাকসেপ্ট করলেই অ্যাড থেকে আয় শুরু।
আয় বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর উপায়গুলো বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে:
১. নিয়মিত পোস্ট করুন: প্রতিদিন বা সপ্তাহে কয়েকটা শর্টস আপলোড করুন। কনসিস্টেন্সি অ্যালগরিদমকে সাহায্য করে ভিউ বাড়াতে।
২. ট্রেন্ডিং টপিক ও মিউজিক ব্যবহার করুন: পপুলার সাউন্ড, চ্যালেঞ্জ বা হ্যাশট্যাগ যোগ করুন। এতে ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়।
৩. আকর্ষণীয় হুক দিন: প্রথম ৩-৫ সেকেন্ডে দর্শককে আটকে রাখুন – প্রশ্ন করুন বা সারপ্রাইজ দেখান।
৪. উচ্চমানের কনটেন্ট: ভালো লাইটিং, ক্লিয়ার অডিও এবং ক্রিয়েটিভ এডিটিং। লং ভিডিও থেকে শর্টস ক্লিপ করুন ভিউ ড্রাইভ করতে।
৫. অন্যান্য আয়ের উৎস যোগ করুন: সুপার থ্যাঙ্কস, চ্যানেল মেম্বারশিপ, ব্র্যান্ড স্পনসরশিপ বা অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহার করুন। শর্টস দিয়ে লং ভিডিওতে ট্রাফিক পাঠান – সেখানে আয় বেশি।
৬. অ্যানালিটিক্স চেক করুন: কোন শর্টস বেশি ভিউ পাচ্ছে, সেগুলোর স্টাইল ফলো করুন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১ মিলিয়ন ভিউতে ১০০ থেকে ১,০০০ ডলার পর্যন্ত আয় সম্ভব, তবে দর্শকের লোকেশন (যেমন ইউএস) এবং এংগেজমেন্টের উপর নির্ভর করে। অরিজিনাল কনটেন্ট রাখুন, রিপিটিটিভ না হলে সমস্যা হবে না।
