দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ প্রদান করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশের নাগরিক হিসেবে তাঁর ডিজিটাল নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।
এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান আগে থেকেই অনলাইনে প্রাথমিক তথ্য পূরণ করেছিলেন। শনিবার সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই ও আইরিশ স্ক্যান সম্পন্ন করেন। এখন থেকে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁর এনআইডি নম্বর তৈরি হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের দেওয়া তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। কোনো অমিল না থাকলে তাঁর মোবাইল ফোনে একটি খুদে বার্তা পাঠানো হবে। ওই লিংকের মাধ্যমে তিনি নিজেই এনআইডি ডাউনলোড করতে পারবেন। চাইলে নির্বাচন কমিশন থেকেও সরাসরি স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করার সুযোগ থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এনআইডি গ্রহণ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থানের পর সম্প্রতি দেশে ফেরেন তিনি। এনআইডি পাওয়ার ফলে পাসপোর্ট নবায়নসহ নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের পথ আরও সহজ হবে। ইসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুপুরের মধ্যেই তাঁর নিবন্ধনসংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
