যশোরে আজ শনিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৬টায় জেলার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টানা দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করায় যশোরে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের মধ্যভাগে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কাজের তাগিদে দিনমজুররা ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না, আর কৃষকেরাও দেরিতে মাঠে কাজে যাচ্ছেন।

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। জ্বর, হাঁচি, কাশি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন অনেকে। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।