নানা জল্পনা কল্পনা শেষে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম ইকবাল হোসেন। মনোনয়ন পেয়েই প্রচারে নেমেছেন তিনি।
তবে তার নির্বাচনী কার্যক্রমের বা প্রচারের কিছু বিষয় ইতোমধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তার নির্বাচনী প্রচারে দল থেকে বহিষ্কৃত নিস্তার ফারুককে নিয়মিত দেখা যায়।
শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ না, বহিষ্কারের চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা ছিল- বহিস্কৃত নেতার সাথে কোনো ধরনের দলীয় সম্পর্ক না রাখতে। অথচ উপজেলা এবং পৌর বিএনপির সকল কার্যক্রম এমনকি দলের মতবিনিময় সভাতেও নিস্তার ফারুককে দেখা যায় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরেই।

এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। অথচ, ৫ আগস্টের পর থেকে এই নিস্তার ফারুক আর উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান মিন্টু দুজনে একটা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করে চলেছেন। অথচ এসব আওয়ামী নেতাকর্মীদের জন্য আমরা দীর্ঘ বছর বাড়িতেও থাকতে পারিনি।

তারা বলেন, দীর্ঘ কাল পর মনিরামপুরবাসী বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছে। এরমধ্যে যদি বিএনপির প্রার্থী এসব বহিস্কৃত ও বিতর্কিত নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যান, তাহলে সাধারণ মানুষ ধানের শীষের বিপক্ষে চলে যেতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে এম ইকবাল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
